

শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয় চারুকলা অনুষদের পক্ষ থেকে।
চারুকলার ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে “পুনর্মিলনী”
তারিখ: ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮ (সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা)
স্থান: চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গন।
রেজিস্ট্রেশন: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত। স্ব-স্ব বিভাগের দপ্তরে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
শুক্র ও শনিবার ডিনের দপ্তরে; বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
রেজিস্ট্রেশনের জন্য: ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি। প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন ফি ১,০০০/- টাকা এবং পরিবারের সদস্য প্রতিজন ৫০০/- টাকা এবং বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের জনপ্রতি ৫০০/-
অনুষ্ঠানমালা:
১। সকাল ৯টা – ৯:৩০টা প্রাতরাশ
২। সকাল ৯:৪৫টা – প্রতিষ্ঠাতা শিল্পীদের সমাধীতে পুস্পস্তবক অর্পণ ও জয়নুল মেলা উদ্বোধন
৩। সকাল ১০:০০টা – শোভাযাত্রা
৪। বেলা ১১:০০টা – সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান (অংশগ্রহণে চারুকলা অনুষদের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক মন্ডলী)
৫। বেলা ১২:০০টা – স্মৃতিচারণ (প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষক বৃন্দের)
৬। বেলা ১:৩০টা – মধ্যাহ্নভোজ
৭। বেলা ২:৩০টা – স্মৃতিচারণ (প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষক বৃন্দের)
৮। বেলা ৩:০০টা – সেতার বাদন (শিল্পী আলিফ লায়লা)
৯। বেলা ৩:৩০টা – সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান (প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষক বৃন্দের অংশগ্রহণে)
১০। বিকেল ৪:৪৫ – বৈকালিক জল খাবার (পিঠা-পুলি)
১১। বিকেল ৫:০০টা – প্রামান্য চিত্র
১২। সন্ধ্যা ৬:৩০টা – দলীয় সঙ্গীত (পরিবেশনায় জলের গান)

চীনা সাংস্কৃতিক মাস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত “বর্ণিল মেঘে ঢাকা সিল্ক রোড” শীর্ষক ৫দিনব্যাপী প্রদর্শনী ২৬ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারীতে শেষ হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ঝাং ঝো বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অংকন ও চিত্রায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিশির কুমার ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শিশির ভট্টাচার্য্য।
সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ঐতিহাসিক হিসেবে বর্ণনা করেন। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে দু’দেশের জনগণের মধ্যে মৈত্রীর এই বন্ধন ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্ক ক্রমেই নিবিড় হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
চীনা রাষ্ট্রদূত ঝাং ঝো বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত এবং চীনের জাতীয় সংগীতের মর্মার্থ এক ও অভিন্ন। সোনার দেশ গড়ে তোলা দু’দেশেরই স্বপ্ন। এ অঞ্চলের জনগনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দু’দেশ একযোগে কাজ করে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ‘এশিয়ান কালচারাল কমিউনিটি’ গঠনের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, ৫দিন ব্যাপী এই প্রদর্শনীতে চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিল্পকর্ম স্থান পায়। এ উপলক্ষ্যে সেমিনার, কর্মশালা ও চীনের কস্টিউম প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩জন শিক্ষক বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন।
————–
(মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম)
উপ-পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

চীনা সাংস্কৃতিক মাস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত “বর্ণিল মেঘে ঢাকা সিল্ক রোড” শীর্ষক ৫দিনব্যাপী প্রদর্শনী ২৬ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারীতে শেষ হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন। (ছবি: ঢাবি জনসংযোগ)

চীনা সাংস্কৃতিক মাস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত “বর্ণিল মেঘে ঢাকা সিল্ক রোড” শীর্ষক ৫দিনব্যাপী প্রদর্শনী ২৬ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারীতে শেষ হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ঝাং ঝো বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। (ছবি: ঢাবি জনসংযোগ)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের প্রাচ্যকলা বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী গতকাল ১৬ অক্টোবর ২০১৭ জয়নুল গ্যালারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাচ্যকলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার এবং শিল্পসমালোচক অধ্যাপক বুলবন ওসমান। প্রদর্শনীতে ২৮জন শিক্ষার্থীর ৫১টি নির্বাচিত শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর অতিথিরা শিল্প প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সৃষ্টিশীল প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে এমএফএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্ম থেকে নিরীক্ষাধর্মী পুরস্কার, বিএফএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্ম থেকে সকল মাধ্যমের মধ্যে একটি শ্রেষ্ঠ পুরস্কার ও সকল শিল্পকর্ম থেকে চারটি স্মৃতি পুরস্কার নির্বাচন করা হয়েছে।
নিরীক্ষাধর্মী পুরস্কার পেয়েছেন এমএফএ প্রোগ্রামের ১ম পর্বের শিক্ষার্থী সামিনা জামান। বিএফএ সম্মান ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহমিদা হক মাহি পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ মাধ্যম পুরস্কার। শিল্পী শফিকুল আমীন স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন এমএফএ ২য় পর্বের শিক্ষার্থী হাসিবা ইয়াসমিন, শিল্পী আমিনুল ইসলাম স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন এমএফএ ১ম পর্বের শিক্ষার্থী হরেন্দ্রনাথ রায়, শিল্পী রশিদ চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন বিএফএ সম্মান ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মো: জাহিদুল আলম জামিল এবং শিল্পী শওকাতুজ্জামান স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন বিএফএ সম্মান ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী জয়শ্রী গোস্বামী (মিতা)।
প্রাচ্যকলা বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী আগামী ২১ অক্টোবর ২০১৭ পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১১:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।